অনলাইন রিপোর্ট
তিলক ভার্মা আউট হওয়ার পর হার্দিক এদিন ছয় নম্বরে ব্যাট করতে নেমেছিলেন। অন্য প্রান্তের ব্যাটার নামান ধীর ২২ গজে নিজের অবস্থান দৃঢ় করেছিলেন। কিন্তু নিজেকে খুঁজে পেতে মুম্বাই অধিনায়কের ঘাম ছুটছিল। নামানের সঙ্গে ২৪ বল খেলে মাত্র ২৫ রানের জুটি গড়েন তিনি। ১২.৫ ওভারে চার উইকেটে ১০৯ রান করা মুম্বাই ইনিংস শেষ করে ৭ উইকেটে ১৫৯ রানে। হার্দিক শেষ ওভারে আউট হন, তার ইনিংসে ছিল দুটি চার। ২৩ বল খেলে করেন মাত্র ১৮ রান। ডট ছিল ১০টি।
১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ জয়ী ভারতের ওপেনার শ্রীকান্তের মতে, এমন ইনিংসের কারণে মুম্বাই বেশ পিছিয়ে পড়েছিল। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে সাবেক নির্বাচক মুম্বাইয়ের স্কোরিং রেটের পতনের কথা টেনে বললেন, ‘সংখ্যাগুলোর দিকে তাকান— ২৩ বলে ১৮ রান। কী এটা? সে প্লাস্টিক অধিনায়ক।’
তিনি বলে গেলেন, ‘জুটিটার দিকে তাকান, উদ্দেশ্য কী ছিল? হার্দিক পান্ডিয়া কী করার চেষ্টা করছিল? মাঝের ওভারগুলোতে ডট বলের সংখ্যার দিকে তাকান, এটা পরিষ্কার যে কোনো সঠিক হিসাবনিকাশ কিংবা খেলা নিয়ে সচেতনতা ছিল না। ওই সময়ে রান রেট বিস্ময়করভাবে নেমে যেতে থাকে।’
চলতি মৌসুমে হার্দিকের ১৩৬.৪৫ স্ট্রাইক রেট উদ্বেগজনক। মাঝের ওভারে মুম্বাইয়ের ব্যাটে জোর দেখা যাচ্ছে না। গতকাল ডেথ ওভারের দিকে চেন্নাইয়ের বিপক্ষে মুম্বাই অধিনায়কের পরিকল্পনা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন তিনি, ‘সত্যি কথা বলতে আমি বুঝতে পারছিলাম না তারা কী করার চেষ্টা করছিল। কী পরিকল্পনা ছিল?’
