Close Menu
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • জবস
  • অন্যান্য
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • ধর্ম
    • প্রবাস
    • ট্রেন্ডিং
    • ভিডিও
    • লাইফস্টাইল
    • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn
RN News 24
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • জবস
  • অন্যান্য
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • ধর্ম
    • প্রবাস
    • ট্রেন্ডিং
    • ভিডিও
    • লাইফস্টাইল
    • স্বাস্থ্য
RN News 24
Home»ট্রেন্ডিং»আগামী চক্রবর্তীর সঙ্গে তোলা শেষ ছবিটি প্রকাশ করে আবেগঘন পোস্ট হবু স্বামীর
ট্রেন্ডিং

আগামী চক্রবর্তীর সঙ্গে তোলা শেষ ছবিটি প্রকাশ করে আবেগঘন পোস্ট হবু স্বামীর

August 24, 20260
Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email WhatsApp Copy Link
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email WhatsApp Copy Link

ডেস্ক রিপোর্ট

বিয়ের দিনক্ষণ আগেই ঠিক হয়েছিল রংপুর কারমাইকেল কলেজের শিক্ষার্থী আগামী চক্রবর্তী ও অদিত করের। দুই পরিবারেও চলছিল নতুন জীবনের প্রস্তুতি। কিন্তু বিয়ের আগেই নির্মম হত্যাকাণ্ডে শেষ হয়ে গেল আগামী চক্রবর্তীর জীবন। সঙ্গে থেমে গেল তার পরিবারকে ঘিরে দেখা বহু স্বপ্নও। 

আগামীর মৃত্যুর পর রোববার (২৩ আগস্ট) রাতে ‘কারমাইকেল কলেজ ক্রাশ অ্যান্ড কনফেশনস’ নামের একটি ফেসবুক পেজে তার হবু স্বামী অদিত করের একটি আবেগঘন পোস্ট প্রকাশ করা হয়। সেখানে দুজনের একটি ছবি দিয়ে নিজের কষ্টের কথা তুলে ধরেন অদিত।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমার জীবনের শেষ সম্বলটাও শেষ হয়ে গেল।’

ছবিটির প্রসঙ্গ তুলে অদিত আরও লেখেন, এটি বুধবারের ছবি। সেদিন আগামী খুব করে বলেছিলেন, তারা কখনো একসঙ্গে কোনো ‘কাপল পিক’ তোলেননি, তাই একটি ছবি তুলতে হবে। সেই স্মৃতির কথা মনে করে অদিত লেখেন, ‘চিন্তা করো না আগামী, আমি তোমার সাথে ছিলাম, আছি, থাকব।’

ফেসবুক পেজটির পোস্টে জানানো হয়, আগামী ও অদিতের বিয়ের তারিখও চূড়ান্ত হয়েছিল। দুই পরিবারে চলছিল বিয়ের আয়োজন। নতুন জীবনে পা রাখার আগমুহূর্তে হত্যাকাণ্ডে আগামীসহ পুরো পরিবারের সেই স্বপ্ন ভেঙে গেল।

এর আগে শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানিয়েছে, তাদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

স্বজনদের সঙ্গে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর থেকেই পরিবারটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। পরে স্বজনদের কাছ থেকে খবর পেয়ে শনিবার রাতে ওই বাড়িতে গিয়ে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে মাছুয়াপাড়ার দুই যুবক মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাসকে (১৯) আটক করা হয়েছে। রোববার ভোরে তাদের আটক করা হয়। 

পুলিশ কমিশনারের দাবি, মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ পাশের একটি ভবনের ওপর দিয়ে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে প্রবেশ করেছিলেন। সেখানে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে গণপতি চক্রবর্তীকে হত্যা করা হয়। পরে পর্যায়ক্রমে তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলেকেও হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

বিয়ের স্বপ্ন নিয়ে যে পরিবারটি নতুন দিনের অপেক্ষায় ছিল, মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সেই পরিবারেই নেমে এসেছে শোকের ছায়া। আর আগামীকে হারিয়ে তার হবু স্বামী অদিতের সেই শেষ স্মৃতির পোস্ট যেন হয়ে উঠেছে অসমাপ্ত এক ভালোবাসার সাক্ষী।

আগামী চক্রবর্তীর সঙ্গে তোলা শেষ ছবিটি প্রকাশ করে আবেগঘন পোস্ট হবু স্বামীর
Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email WhatsApp Copy Link

Related Posts

স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা রাষ্ট্রকেই নিশ্চিত করতে হবে

October 11, 2026

অটোরিকশাচালক সুমনই তাজমিনকে ধ/র্ষ/ণের পর শ্বাসরোধে হ/ত্যা করেন

October 10, 2026

বিমান থেকে অভিজিৎ দীপকেসহ সিজেপির ৩ শীর্ষ নেতা আটক

October 10, 2026

Recent Posts

  • স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা রাষ্ট্রকেই নিশ্চিত করতে হবে
  • চার দিনের সফ‌রে ঢাকায় আসছেন কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী
  • নারায়ণগঞ্জে গ্যাস জমে বিস্ফোরণ, একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ
  • সংসদে যাওয়ার সুযোগ পেলে ইসলামবিরোধী কোনো আইনে সমর্থন দেব না
  • নীলফামারীতে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

Recent Comments

No comments to show.

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাদমান সাদিক

Facebook X (Twitter) YouTube LinkedIn WhatsApp
  • গোপনীয়তার নীতি
  • ব্যবহারের শর্তাবলি
  • যোগাযোগ
  • আমাদের সম্পর্কে
  • আমরা
© 2026 RN-News24. Designed by MAHBUB

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.