ডেস্ক রিপোর্ট
আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আমরা কি শুধুই অনুষ্ঠান ও আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকব, নাকি বাস্তব অবস্থার প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা নেব—এই প্রশ্ন আমাদের নিজেদেরই করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘গাজার শহীদ শিশুদের কথা, ইরানের বিভিন্ন স্থানে শহীদ হওয়া নিরপরাধ মানুষদের কথা—এসব আমাদের বিবেককে নাড়া দেওয়া উচিত। একইভাবে বিশ্ব রাজনীতিতে যারা নিজেদেরকে “শান্তি ও নিরাপত্তার রক্ষক” হিসেবে দাবি করে, তাদের কর্মকাণ্ডও আমাদের সামনে প্রশ্ন তোলে। ইতিহাস আমাদের মনে করিয়ে দেয়—একসময় ইউরোপে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা, চিকিৎসা ও জ্ঞানচর্চার উন্নয়ন হয়েছিল, কিন্তু সেই সময়েও অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সত্য উচ্চারণকারী অনেকেই নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আজ আমাদের প্রশ্ন করতে হবে—আমাদের উম্মাহর শক্তি কোথায় হারিয়ে গেল? কেন আমরা এত বিভক্ত? কেন এত দুর্বলতা?’
জালিল রাহিমি আরও বলেন, ‘ইতিহাসে আমরা দেখেছি, সালাহউদ্দিন আইয়ুবী, শহীদ নেতৃবৃন্দ এবং প্রতিরোধের কণ্ঠস্বরেরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলেন। সর্বশেষ সময়েও যারা প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে উঠেছেন, তাদের ত্যাগ আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা। অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান দৃঢ় করতে হবে। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির মিথ্যা ও জুলুমের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ানো ছাড়া বিকল্প নেই। আমি ইরানের জনগণের জন্য দোয়ার অনুরোধ করছি। আল্লাহ যেন তাদের হেফাজত করেন এবং তাদের ধৈর্য ও শক্তি দান করেন।’
সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এম এম আল মিনহাজ, ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য বেলাই হোসাইন অপুসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ।
